মাগুরা প্রতিনিধিঃ

মাগুরার শালিখার থৈপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অলীপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।এ বিষয়ে স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক সুরঞ্জিত কুমার বিশ্বাস মাগুরা কোর্টে একটি মামলা করেছেন।মামলা নং --_---।তারিখ ----------।

একই সাথে তিনি শালিখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহ বিভিন্ন দপ্তরে একই অভিযোগ করেছেন।


মামলা সুত্রে জানাযায় প্রধান শিক্ষক স্কুলের সামনের জায়গায় মার্কেট বরাদ্দদিয়ে ছয় জনের কাছ থেকে ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছেন ও নিয়োগ বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আনুমানিক পাঁচ থেকে আট লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। সেই একই সঙ্গে স্কুলের চারপাশে কিছু গাছ ছিল।যে গাছগুলো বিক্রয় করে তিনি টাকা আত্মসাৎ করেছেন।


ভাড়াটিয়া মিঠুন বিশ্বাস বলেন, এই ছয়টা ঘর বাবদ আমরা ১২ লক্ষ টাকা  হেড স্যারের হাতে দিয়েছিও সেখানে সভাপতি বিমলেন্দু শিকদার উপস্থিত ছিলেন। 


এলাকা ও সহকারী প্রধন শিক্ষকের দেয়া তথ্য সূত্রে জানা যায়, তৎকালীন  সভাপতি  রিতা রানী শিকদার ছিলেন।

কিন্তু ক্ষমতা  জোরে সাবেক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বিমলেন্দু শিকদার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

সভাপতি একজন থাকা সত্বে সেখানে অন্য কেউ হস্তক্ষেপ কিভাবে করতে পারে,এবং  প্রধান শিক্ষক ও চেয়ারম্যান বিমলেন্দু শিকদার  এ কার্যক্রমে জড়িত আছেন বলে মনে করেন তিনি।


 প্রধান শিক্ষক অলিপ বিশ্বাস সম্পূর্ণ নিজেকে সেভ করার জন্য মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছেন। তিনি বলেন এবিষয়ে আমি  অবগত নন।কারন  ক্ষমতা কাছে হাত পা বাঁধা ছিলো স্কুলে কোন প্রকার প্রোগ্রাম হলে অফিস রুমের এক কর্ণারে দাঁড়িয়ে রাখতো আমি একজন প্রধান শিক্ষক বলে মুল লায়ন করত না। তিনি ক্ষমতা জোরে কার্যক্রম চালিয়ে গেছেন কারো তোয়াক্কা করতেন না এ বিষয়ে তার সাথে কথা বলতে পারেন।


নাঘোসা নবম পল্লী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনসার আলী বিশ্বাসকে সঙ্গে নিয়ে সুব্রত বিশ্বাস ৮০ হাজার টাকা, ও বিমল গাইন ৯০ হাজার টাকা, ও নারায়ন বাড়ই ৫০ হাজার টাকা চাকরি দেয়ার কথা বলে নিয়েছেন। কিন্তু এই তিনজনের কারো চাকরি হয় নাই। এবং এই তিনজনের আকুল আবেদন হেড স্যারের নিকট যে আমাদের অর্থ ফেরত দেয়া হোক না হলে তাদের চাকরি দেয়া হোক নাহলে আমারা 

আইনগত ব্যবস্থা নিব।এ বিষয়ে স্কুলের পরিচালনা পরিষদের মিটিং এ উল্লেখ করা হয়েছে।